Friday, December 6, 2019

উম্মাহাতুল মুমিনীন আলাইহিন্নাস সালাম

উম্মাহাতুল মুমিনীন আলাইহিন্নাস সালাম
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিনঅনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মুহাম্মাদ
বিষয়ের ধারাবাহিকের একটি অংশ
মুহাম্মাদ
মুহাম্মদ (৫৭০ - ৬৩২ খ্রিষ্টাব্দ) ইসলামের সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হিসেবে মুসলমানদের মাঝে গণ্য। নবী মুহাম্মাদ তার জীবনে যে সকল মহিলার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন মুসলমানগণ তাদেরকে উম্মাহাতুল মুমিনীন অর্থাৎ মুসলমানদের মাতা হিসেবে অভিহিত করেন। কোরানে ও সেটি উল্লেখিত হয়েছে। কুরআন ৩৩:৬:
নবী মুমিনদের নিকট তাদের নিজেদের অপেক্ষা অধিক ঘনিষ্ঠ এবং তাঁর স্ত্রীগণ তাদের মাতা.[১]
তিনি আরবীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং সেনানায়ক হিসেবেও সফলতা লাভ করেছেন। ইতিহাসে তাকে রাজনৈতিক এবং আধ্যাত্মিক উভয় ক্ষেত্রে সফল ব্যক্তি এবং ইসলামের প্রবর্তক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। যৌবনে তিনি মূলত ব্যবসার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ২৫ বছর বয়সে তার সাথে আরবের তৎকালীন বিশিষ্ট ধনী এবং সম্মানিত ব্যক্তিত্ব খাদিজার বিয়ে হয়। তাদের বৈবাহিক জীবন প্রায় ২৪ বছর স্থায়ী হয়। এরপর খাদিজা মৃত্যুবরণ করেন। খাদিজার জীবদ্দশায় তিনি আর কোন স্ত্রী গ্রহণ করেননি। মুসলিম জীবনীকারদের বর্ণনামতে, খাদিজার মৃত্যুর পর নবী আরও ১০ জন (মতান্তরে ১২ জন) স্ত্রী গ্রহণ করেন। অর্থাৎ তার স্ত্রীর সংখ্যা সর্বমোট ১১ জন (মতান্তরে ১৩ জন)। ইসলামে এককালীনভাবে চারটির অধিক বিয়ে নিষিদ্ধ হলেও কুরআনের সূরা আহযাবের ৫০-৫২ আয়াত অনুযায়ী মুহাম্মাদ চারটির অধিক বিয়ের অনুমতিপ্রাপ্ত ছিলেন। স্ত্রীদের মধ্যে শুধুমাত্র আয়েশা ছিলেন কুমারী। বাকি সব স্ত্রী ছিলেন বিধবা । মুহাম্মাদের জীবনকে প্রধান দুইটি অংশে ভাগ করা হয়: মক্কী জীবন এবং মাদানী জীবন। মক্কী জীবনে তিনি দুইজনকে বিয়ে করেন। তার বাকি সবগুলো বিয়েই ছিলো মাদানী জীবনে তথা হিজরতের পরে। মুহাম্মদের বৈবাহিক জীবনে তালাক ছিল না। এ কারণে কুরআনে তালাক সম্পর্কে বিশদ বর্ণনা রয়েছে।

পরিবার[সম্পাদনা]

Muhammad Family-tree-bn.png

খাদিজা বিনতে খুওয়াইলিদ[সম্পাদনা]

তিনি ছিলেন মক্কার একজন ধনাঢ্য ও সম্ভ্রান্ত মহিলা। তার বয়স যখন ৪০, তখন ২৫ বৎসর বয়সী মুহাম্মদের সঙ্গে তার বিবাহ হয়েছিল। মুহাম্মদের সকল সন্তান তার গর্ভে জন্ম লাভ করে। তার জীবদ্দশায় মুহাম্মদ আর কোন বিয়ে করেন নি। তাকে মক্কার জান্নাতুল মুয়াল্লা নামীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

সাওদা বিনতে যামআ[সম্পাদনা]

হিজরতের পূর্বেই (আনুমানিক ৬২০ খ্রিষ্টাব্দে) খাদিজা এর মৃত্যুর বেশ কিছুদিন পরেই মুহাম্মাদ এর সাথে তার বিবাহ হয় ।

আয়িশা বিনতে আবু বকর[সম্পাদনা]

ইসলামের প্রথম খলিফা আবু বকরের কন্যা আয়িশা। তাকে উম্মুল মুমেনিন বলা হয়ে থাকে। ইসলামী শরিয়তের বৃহদংশ তার মাধ্যমে স্বীকৃত। তার গৃহেই হযরত মুহাম্মদের ওফাত হয়। তাকে জান্নাতুল বাক্বীতে দাফন করা হয়েছে।

হাফসা বিনতে উমর[সম্পাদনা]

তিনি ইসলামের ২য় খলিফা উমর এর কন্যা। হাফসার প্রথম স্বামী খুনাইস ইবনে হুজাইফা মারা গেলে উমর খুব দুশ্চিন্তায় পড়ে প্রথমে আবু বকর এবং পরে উসমান কে বিবাহের প্রস্তাব দেন; কিন্তু তারা কেউ-ই রাজী হন না। পরে হিজরী ২য় বা ৩য় সালে মুহাম্মদ তাকে বিবাহ করেন। কথিত আছে, তিনি অত্যন্ত ইবাদত গুজার ছিলেন। রাতে অধিকাংশ সময় আল্লাহর ইবাদতে অতিবাহিত করতেন এবং বেশির ভাগ দিন রোজা রাখতেন।
ঐতিহাসিকদের মতে, তিনি ৪১ অথবা ৪৫ হিজরিতে পরলোকগমন করেন।

যয়নাব বিনতে খুযাইমা[সম্পাদনা]

মুহাম্মাদ উনাকে হিজরতের একত্রিশ মাস পরে ৩য় হিজরীর রমজান মাসে বিবাহ করেন । মাত্র আটমাস তার বিবাহাধীনে থেকে বিয়ের পরবর্তী বৎসরেই ৪র্থ হিজরীর রবিউস সানি মাসে তার মৃত্যু হয়। শুধুমাত্র তিনি এবং খাদিজা এই দুজনই মুহাম্মাদ এর জীবদ্দশায় মারা যান। বিভিন্ন বর্ণনামতে, তিনি অত্যন্ত দানশীলা মহিলা ছিলেন। ইসলাম-পূর্ব যুগেও একারনে তাকে উন্মুল মাসাকীন (গরিবের মা) বলে ডাকা হতো।

উম্মে সালামা হিন্দ বিনতে আবী উমাইয়্যা[সম্পাদনা]

৪র্থ হিজরিতে তার প্রথম স্বামী আবু সালামা এক যুদ্ধে শদীদ হন। অত:পর, শাওয়াল মাসে মুহাম্মাদ তাকে বিবাহ করেন। তিনি মুহাম্মাদের স্ত্রীদের মধ্যে সব শেষে (মতান্তরে ৫৯ বা ৬২ হিজরিতে) মৃত্যুবরণ করেন।

রায়হানা বিনত যায়েদ[সম্পাদনা]

রায়হানা বিনত যায়েদ ছিলেন বানু নাদির গোত্রের একজন ইহুদী নারী যিনি মুসলমানদের নিকট "উম্মুল মুমেনীন" (ইসলামের নবী মুহাম্মাদের স্ত্রী) হিসাবে সম্মাণিত।

যয়নাব বিনতে জাহশ[সম্পাদনা]

তিনি মুহাম্মাদ এর ফুফাত বোন ছিলেন। তার প্রথম বিবাহ তিনি নিজ পালক পুত্র জায়েদ ইবনে হারিছা এর সাথে করান। পরবর্তিতে দাম্পত্যে বোঝাপড়া না হওয়ায় যায়েদ তাকে ৫ম হিজরিতে তালাক দেন। অত:পর যিলক্বদ মাসে আল্লাহ তাআলা তার বিবাহ সুরা আহযাব এর এক আয়াতের মাধ্যমে মুহাম্মাদ এর সাথে ঘোষণা করেন। তিনি অত্যন্ত দানশীলা ছিলেন বলে খ্যতিমান ছিলেন। ২০ হিজরিতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

জুওয়াইরিয়া বিনতে হারিছ ইবনে আবি যারার[সম্পাদনা]

জুওয়াইরিয়া বিনতে হারিছ ছিলেন বনু মুস্তালিক গোত্রের সঙ্গে দাঙ্গার ফলে আটক হওয়া যুদ্ধবন্দী, যিনি উক্ত গোত্রের সর্দারের কন্যা ছিলেন। তার স্বামী, মুস্তফা বিন সাফওয়ান, উক্ত দাঙ্গায় নিহত হন। নিয়মানুযায়ী জুয়াইরিয়া প্রাথমিকভাবে সাহাবী সাবিত বিন কায়েস বিন আল শাম্মাসের গনিমতের (যুদ্ধলব্ধ সম্পদ) ভাগে পড়েন। বন্দী অবস্থাতেই, জুয়াইরিয়া মুহাম্মাদ এর কাছে গিয়ে অনুরোধ করেন যে, গোত্রপ্রধানের কন্যা হিসেবে তাকে যেন মুক্তি দেয়া হয়, মুহাম্মাদ এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। ইত্যবসরে, তার বাবা তাকে মুক্ত করতে মুহাম্মাদের কাছে মুক্তিপণ দেয়ার প্রস্তাব করলেন, কিন্তু মুহাম্মাদ উক্ত প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করলেন। এরপর মুহাম্মাদ জুয়াইরিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন এবং জুয়াইরিয়াও রাজি হলেন।[২] যখন সবাই জানতে পারল যে বনু মুস্তালিকের সাথে ইসলামের নবীর বৈবাহিক আত্মীয়তা তৈরি হয়েছে, তখন মুসলিমগণ উক্ত গোত্রের যুদ্ধবন্দীদের মুক্তি দিতে শুরু করলেন।[৩] এভাবে, জুয়াইরিয়ার সাথে মুহাম্মাদের বিয়ে ইতোপূর্বে তার দ্বারা বন্দী হওয়া প্রায় শত পরিবারের মুক্তির কারণ হয়ে উঠলো।[৪]

রামালাহ বিনতে আবী-সুফিয়ান[সম্পাদনা]

তিনি উম্মে হাবিবা নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি কুরাইশ নেতা আবু সুফিয়ানের কন্যা ছিলেন এবং পিতার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তিনি মুসলিম হন। আবিসিনিয়ায় হিজরতকারীদের মধ্যে তিনি একজন ছিলেন। হিজরতের পর তার স্বামী খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন, অপরদিকে তিনি ইসলামে অনড় থেকে যান। হিজরতে থাকাকালীন সময়ে তার স্বামীর মৃত্যু হলে মুহাম্মাদ তাকে বিবাহের প্রস্তাব পাঠান। মুসলিমদের সাথে কুরাইশদের যুদ্ধ নিরসনকামী হুদায়বিয়ার চুক্তির পরপরই মুহাম্মাদ সমসাময়িক ইসলামের প্রতিপক্ষ ও কুরাইশ নেতা আবু সুফিয়ানের এই কন্যাকে বিবাহ করেন, যাতে করে মুসলিমদের সাথে কুরাইশদের তৎকালীন শত্রুতা আরও কমে আসে।

সফিয়্যা বিনতে হুওয়াই[সম্পাদনা]

সাফিয়া বিনতে হুয়াই ছিলেন বনু নাদির গোত্রের প্রধান হুয়াই ইবনে আখতাবের কন্যা। খন্দকের যুদ্ধে তার পিতা নিহত হন। তার প্রথম স্বামীর নাম সাল্লাম ইবনে মিশকাম। তার কাছ থেকে তালাকপ্রাপ্ত হয়ে তিনি বনু নাদিরের সেনাপতি কেনানা ইবনে রাবিকে বিয়ে করেন। খায়বার যুদ্ধে বনু নাদির গোত্র পরাজিত হলে কেনানাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় এবং সাফিয়াকে যুদ্ধবন্দীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মুহাম্মাদ তাকে তার মালিক দিহইয়ার কাছ থেকে মুক্ত করেন এবং তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। সাফিয়া তার প্রস্তাব গ্রহণ করেন। মারটিন লিংসের তথ্যমতে, মুহাম্মাদ তাকে দুটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন, একটি হল বনু নাদিরে ফিরে যাওয়া আর অপরটি হল ইসলাম গ্রহণ করে মুহাম্মাদকে বিয়ে করা। সাফিয়া দ্বিতীয় প্রস্তাব গ্রহণ করে মুহাম্মাদের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

মাইমুনা বিনতে হারিছ ইবনে হাযন[সম্পাদনা]

তার আসল নাম ছিলো বাররা। মুহাম্মাদ তার নাম পরিবর্তন করে মায়মুনা রাখেন । হুদায়বিয়া চুক্তির সময়ে উক্ত মহিলা মুহাম্মাদকে বিয়ের প্রস্তাব দেন এবং মুহাম্মাদ তা গ্রহণ করেন। চুক্তি শেষে তিনি মায়মুনাকে সাথে নিয়ে মদিনায় ফিরে যান।

মারিয়া আল-কিবতিয়া[সম্পাদনা]

মারিয়া আল-কিবতিয়া ছিলেন একজন মিশরীয় কপ্টিক খ্রিস্টান দাসী, যাকে বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের অধিনস্ত মিশরীয় সম্রাট মুকাউকিস মুহাম্মাদের নিকট উপহার হিসাবে প্রদান করেন।[৫] মদিনায় ফেরার পথে মারিয়া ইসলাম গ্রহণ করেন এবং তিনি ইব্রাহিম ইবনে মুহাম্মাদ নামে মুহাম্মাদের একটি সন্তানের জন্ম দেন, যে কিনা শিশুকালেই মারা যায় এবং ইব্রাহিমকে জন্ম দেয়ার পর থেকে মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত পরবর্তী পাঁচ বছর তিনি দাসত্ব থেকে মুক্ত ছিলেন।[৬] ইবনে কায়িম আল-যাওজিয়া সহ আরও বহু সূত্র দাবি করে যে, তিনি মুহাম্মাদের একজন উপপত্নী ছিলেন,[৭][৮] অর্থাৎ তিনি মুহাম্মাদের কৃতদাসী ছিলেন কিন্তু স্ত্রী নয়। এর কারণ ইসলামী আইন মুসলিম পুরুষদেরকে দেনমোহর প্রদানকৃত বিবাহিত নিজ স্ত্রী এবং নিজ অধিকৃত দাসীদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক করার অনুমতি দেয়ায় তিনি দাসী হয়েও মুহাম্মাদের স্ত্রীগণের পাশাপাশি তার পরিবারের সদস্য ছিলেন। ইবনে ইসহাক রচিত মুহাম্মাদের জীবনী হতে সম্পাদিত ইবনে হিশামের সংকলনে তাকে মুহাম্মাদের স্ত্রীগণের তালিকায় উল্লেখ করা হয় নি।[৯]

স্ত্রীদের তালিকা[সম্পাদনা]

নামগোত্রবিয়ের পূর্বের অবস্থাবয়সমন্তব্যবিয়ের তারিখমৃত্যুর তারিখ
খাদিজা বিনতু খুওয়াইলিদবনু আসাদবিধবা২৫ - ৪০প্রথম বিয়ে এবং নবুয়াত প্রাপ্তির আগে একমাত্র বিয়ে৫৯৫৬১৯
সাওদা বিনতে জামআবনু আব্দু শাম্‌সবিধবা৬৫বৃদ্ধ, গরিব এবং বিধবা; আবিসিনিয়া হিজরতের পর৬১৯-এর পরপরমুহাম্মাদের ওফাতের পর
আয়েশা বিনতু আবু বকরবনু তাইমকুমারী৯ (মতান্তর:বিয়ের সময় আয়েশার বয়স)মুহাম্মদের সাথে পারিবারিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য আবু বকর তার মেয়েকে বিয়ে দেন।[১০]৬২২মুহাম্মাদের ওফাতের পর
হাফসা বিনতে উমরবনু আদিবিধবাউমরের সাথে সম্পর্ক স্থাপনের উদ্দেশ্যে তার মেয়েকে৬২৪ - ৬২৫মুহাম্মাদের ওফাতের পর
জয়নব বিনতু খুযায়মাবিধবা৬২৬ - ৬২৭বিয়ের পরপরই
উম্মে সালামা হিন্দ বিনতু আবি উমাইয়াবনু উমাইয়াউহুদ যুদ্ধে বিধবা হনপ্রায় ৬৫সাহায্যের জন্য, ৪ জনের জননী ছিলেন৬২৬মুহাম্মাদের ওফাতের পর
রায়হানা বিনতে জায়েদবনু নাদির
জয়নব বিনতে জাহশতালাকপ্রাপ্ত এবং বিধবা৬২৫ - ৬২৭মুহাম্মাদের ওফাতের পর
জুওয়াইরিয়া বিনতে আল-হারিসবনু মুস্তালিকবিধবামা মালাকাত আইমানুকুম-এর আওতায়।৬২৭ - ৬২৮মুহাম্মাদের ওফাতের পর
রামালাহ বিনতে আবি সুফিয়ানবনু উমাইয়াআবু সুফিয়ানের কন্যা। প্রথম উমাইয়া খলিফা মুয়াবিয়া'র বোন। তালাকপ্রাপ্ত, তার স্বামী আবিসিনিয়ায় খ্রিস্টান হয়ে যায়।সাহায্য৬২৯মুহাম্মাদের ওফাতের পর
সাফিয়া বিনতে হুওয়াইবনু নাদিরবিধবামা মালাকাত আইমানুকুম-এর আওতায়।৬২৯মুহাম্মাদের ওফাতের পর
মাইমুনা বিনতে আল-হারিসবিধবা২৬৬২৯মুহাম্মাদের ওফাতের পর
মারিয়া আল-কিবতিয়ামিশরীয়মিশরের সম্রাট মুকাউকিসের পক্ষ হতে মুহাম্মাদের জন্য উপহার৬২৮ - ৬২৯মুহাম্মাদের ওফাতের পর

বিবাহের সময়রেখা[সম্পাদনা]

লেখচিত্রের উলম্ব রেখাগুলো পর্যায়ক্রমিকভাবে নবুয়াত, হিজরত এবং বদরের যুদ্ধকে নির্দেশ করে।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1.  Aleem, Shamim (২০০৭)। "12. Mothers of Believers"। Prophet Muhammad(s) and His Family। AuthorHouse। পৃষ্ঠা 85। আইএসবিএন 978-1-4343-2357-6
  2.  Rodinson, page 196.
  3.  Lings (1983), pg. 241-2
  4.  Nomani, pg. 365-6
  5.  A. Guillaume (1955), p. 653
  6.  Ibn IshaqThe Life of Muhammad (Peace Be Upon Him), p. 653.
  7.  Exegesis (Tafsir) of Quran by ibn Kathir for Chapter 66, verses 1-5 of Quran
  8.  Zaad al-Ma’aad, 1/103
  9.  Ibn IshaqThe Life of Muhammad, p. 792.
  10.  Sunni view that sha was divinly chosen (Sahih Bukhari টেমপ্লেট:Bukhari-usc), Shi'a reject that hadith as fabricated. Shi'a view it as a political marriage, in order for Muhammad to get a new tribe and protector after Abu Talib died in the Year of Sorrow

No comments:

Post a Comment

উম্মুল মুমিনিন জয়নব বিনতে জাহাশ রাদিয়াল্লাহু আনহা

উম্মুল মুমিনীন সাইয়্যিদাতুন নিছায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত জয়নব বিনতে জাহাশ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র শানে  উম্মুল মুমিনীন ...

উম্মুল মুমিনীন ছিদ্দিকা আলাইহাস সালাম