উম্মুল মুমিনীন সাইয়্যিদাতুন নিছায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত জয়নব বিনতে জাহাশ আলাইহাস সালাম উনার পবিত্র শানে উম্মুল মুমিনীন আছ ছালিছা সাইয়্যিদাতুন নিছায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত আয়েশা সিদ্দিকা আলাইহাস সালাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন-
‘দীনের ক্ষেত্রে উৎকর্ষে, তাকওয়ায়, সত্যভাষণে, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা এবং আমানতদাররি ও দান খয়রাতের ক্ষেত্রে উম্মুল মুমিনীন সাইয়্যিদাতুন নিছায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত জয়নব বিনতে জাহাশ আলাইহাস সালাম উনার চেয়ে উত্তম কোনো পবিত্র নারী আমি কখনো দেখিনি৷’
‘দীনের ক্ষেত্রে উৎকর্ষে, তাকওয়ায়, সত্যভাষণে, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখা এবং আমানতদাররি ও দান খয়রাতের ক্ষেত্রে উম্মুল মুমিনীন সাইয়্যিদাতুন নিছায়িল আলামীন সাইয়্যিদাতুনা হযরত জয়নব বিনতে জাহাশ আলাইহাস সালাম উনার চেয়ে উত্তম কোনো পবিত্র নারী আমি কখনো দেখিনি৷’
আয়েশার ওপর অপবাদ দেয়ার ঘটনার ব্যাপারে তিনি নিজেই বলেন—
‘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম আমার সম্পর্কে জয়নবকে জিজ্ঞেস করেন ৷ অথচ রাসুলের স্ত্রীদের মধ্যে একমাত্র তিনিই আমার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেন৷ আল্লাহভীতির কারণে আল্লাহ তাকে রক্ষা করেছেন৷ আমার ব্যাপারে তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! আমিতো আমার চক্ষু-কর্ণ হেফাজত করছি৷ তার সম্পর্কে ভালো ছাড়া কিছুইতো আমার জানা নেই।’
‘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম আমার সম্পর্কে জয়নবকে জিজ্ঞেস করেন ৷ অথচ রাসুলের স্ত্রীদের মধ্যে একমাত্র তিনিই আমার সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেন৷ আল্লাহভীতির কারণে আল্লাহ তাকে রক্ষা করেছেন৷ আমার ব্যাপারে তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! আমিতো আমার চক্ষু-কর্ণ হেফাজত করছি৷ তার সম্পর্কে ভালো ছাড়া কিছুইতো আমার জানা নেই।’
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা আরও বলেন—
‘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম একবার বললেন, তোমাদের মধ্যে যার হস্ত সবচেয়ে দরাজ সে সকলের আগে আমার সঙ্গে মিলিত হবে ৷’ আয়েশা বলেন, ‘এরপর আমরা মেপে দেখতাম, আমাদের মধ্যে কার হাত সবচেয়ে বেশি লম্বা ৷ জয়নবের হাত ছিলো সবচেয়ে লম্বা ৷ কারণ, তিনি নিজ হাতে কাজ করতেন এবং প্রচুর দান-খয়রাত করতেন !
‘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাম একবার বললেন, তোমাদের মধ্যে যার হস্ত সবচেয়ে দরাজ সে সকলের আগে আমার সঙ্গে মিলিত হবে ৷’ আয়েশা বলেন, ‘এরপর আমরা মেপে দেখতাম, আমাদের মধ্যে কার হাত সবচেয়ে বেশি লম্বা ৷ জয়নবের হাত ছিলো সবচেয়ে লম্বা ৷ কারণ, তিনি নিজ হাতে কাজ করতেন এবং প্রচুর দান-খয়রাত করতেন !
জয়নব বিনতে জাহাশ রাদিয়াল্লাহু আনহা হিজরি ২০ সালে ইন্তেকাল করেন৷ আমিরুল মুমিনিন উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু তার জানাজার নামাজের ইমামতি করেন এবং জান্নাতুল বাকিতে তাকে দাফন করা হয়৷
তিনিই সর্বপ্রথম নারী যার জন্য প্রথম জানাজার খাটিয়ার ব্যবস্থা করা হয় ৷
[বুখারি, মুসলিম ও ওয়াকিদির সূত্রে ইবনে কাসির, আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ২৭৮-২৭৯]
No comments:
Post a Comment