লিখেছেন: আহমাদ ফখরুদ্দীন শাহীন মুহম্মদ আব্দুল্লাহ | তারিখ: শুক্রবার, ৩০ অগাস্ট, ২০১৯ সময়: ৯:০৭ অপরাহ্ন |
সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের জন্য ফরযে আইন হচ্ছে মহাসম্মানিত আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদেরকে যথাযথ তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা, সম্মান করা। খাছভাবে যদি জিন-ইনসান, কায়িনাতবাসী হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সংশ্লিষ্ট বিষয় মুবারক সমূহকে তা’যীম তাকরীম মুবারক করেন এবং উনাদের সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহকে তা’যীম তাকরীম মুবারক করতে পারেন, তাহলে উনারা নাজাত লাভ করবেন। পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
عَنْ حَضْرَتْ عَيَّاشِ بْنِ اَبـىْ رَبِيْعَةَ الْـمَخْزُوْمِىِّ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَزَالُ هٰذِهِ الْاُمَّةُ بِـخَيْرٍ مَّا عَظَّمُوْا هٰذِهِ الْـحُرْمَةَ حَقَّ تَعْظِيْمِهَا فَاِذَا ضَيَّعُوْا ذٰلِكَ هَلَكُوْا.
অর্থ: “হযরত ‘আইয়্যাশ ইবনে আবী রবী‘আহ মাখযূমী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, এই উম্মত ততদিন পর্যন্ত খায়ের-বরকত উনার উপর থাকবে, যতদিন পর্যন্ত তারা এই মহাপবিত্র বিষয় মুবারকসমূহ উনাদেরকে যথাযথ সম্মান করবে, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করবে। সুবহানাল্লাহ! অতঃপর যখন তারা মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদেরকে ইহানত করবে, মানহানি করবে, অবমাননা করবে, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করবে না তখন তারা হালাক হয়ে যাবে, ধ্বংস হয়ে যাবে।” না‘ঊযুবিল্লাহ! (ইবনে মাজাহ শরীফ, মিশকাত শরীফ, মিরক্বাত শরীফ)
মহান আল্লাহ পাক উনার, উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের হাক্বীক্বী রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক লাভ ও ইহকাল-পরকালে চূড়ান্ত কামিয়াবী লাভ করতে চাইলে এবং কাফির-মুশরিকদের যুলুম-নির্যাতন থেকে মুক্তি পেতে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সংশ্লিষ্ট বিষয় মুবারক সমূহকে তা’যীম তাকরীম মুবারক করলেই তা সম্ভব। সুবহানাল্লাহ!
শুধু তাই নয়, উক্ত কাজগুলি করতে পারলে সমস্ত কাফির-মুশরিকরা সম্মানিত মুসলমানদের গোলামে পরিণত হয়ে যাবে এবং সম্মানিত মুসলমান উনারা আবারো সারা বিশ্বব্যাপী শাসনকার্য পরিচালনা করতে পারবেন। সুবহানাল্লাহ! আর যদি তারা তা না করে, তাহলে তারা হালাক হয়ে যাবে, ধ্বংস হয়ে যাবে।” না‘ঊযুবিল্লাহ!
عَنْ حَضْرَتْ عَيَّاشِ بْنِ اَبـىْ رَبِيْعَةَ الْـمَخْزُوْمِىِّ رَضِىَ اللهُ تَعَالـٰى عَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهُ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا تَزَالُ هٰذِهِ الْاُمَّةُ بِـخَيْرٍ مَّا عَظَّمُوْا هٰذِهِ الْـحُرْمَةَ حَقَّ تَعْظِيْمِهَا فَاِذَا ضَيَّعُوْا ذٰلِكَ هَلَكُوْا.
অর্থ: “হযরত ‘আইয়্যাশ ইবনে আবী রবী‘আহ মাখযূমী রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহু উনার থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, এই উম্মত ততদিন পর্যন্ত খায়ের-বরকত উনার উপর থাকবে, যতদিন পর্যন্ত তারা এই মহাপবিত্র বিষয় মুবারকসমূহ উনাদেরকে যথাযথ সম্মান করবে, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করবে। সুবহানাল্লাহ! অতঃপর যখন তারা মহাপবিত্র আইয়্যামুল্লাহ শরীফ উনাদেরকে ইহানত করবে, মানহানি করবে, অবমাননা করবে, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করবে না তখন তারা হালাক হয়ে যাবে, ধ্বংস হয়ে যাবে।” না‘ঊযুবিল্লাহ! (ইবনে মাজাহ শরীফ, মিশকাত শরীফ, মিরক্বাত শরীফ)
মহান আল্লাহ পাক উনার, উনার হাবীব নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার এবং মহাসম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের হাক্বীক্বী রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক লাভ ও ইহকাল-পরকালে চূড়ান্ত কামিয়াবী লাভ করতে চাইলে এবং কাফির-মুশরিকদের যুলুম-নির্যাতন থেকে মুক্তি পেতে হযরত উম্মাহাতুল মু’মিনীন আলাইহিন্নাস সালাম, হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের সংশ্লিষ্ট বিষয় মুবারক সমূহকে তা’যীম তাকরীম মুবারক করলেই তা সম্ভব। সুবহানাল্লাহ!
শুধু তাই নয়, উক্ত কাজগুলি করতে পারলে সমস্ত কাফির-মুশরিকরা সম্মানিত মুসলমানদের গোলামে পরিণত হয়ে যাবে এবং সম্মানিত মুসলমান উনারা আবারো সারা বিশ্বব্যাপী শাসনকার্য পরিচালনা করতে পারবেন। সুবহানাল্লাহ! আর যদি তারা তা না করে, তাহলে তারা হালাক হয়ে যাবে, ধ্বংস হয়ে যাবে।” না‘ঊযুবিল্লাহ!
No comments:
Post a Comment